ইসরো-এর পুরো নাম ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন(Indian Space Research Organisation)। বর্তমানে এর সদর দপ্তর(Headquarter) বেঙ্গালুরুতে। যেই সময়ে অন্য দেশ মহাকাশে রকেট পাঠানোয় ব্যস্ত ছিল, ঠিক সেই সময়ে অর্থাৎ স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে ভারত দারিদ্রতা এবং অশিক্ষায় ভুগছিল। এমন সময় ডঃ বিক্রম সারাভাই বলেন ভারতকে যদি উন্নত দেশের তালিকায় উঠে আসতে হয় তাহলে আমাদের মহাকাশে পাড়ি দিতে হবে।অবশেষে ১৯৬৯ সালে ডঃ বিক্রম সারাভাই(Dr. Vikram Sarabhai)-এর সহায়তায় ইসরো স্থাপিত হয়। এইজন্য ওনাকে ইসরোর জনক বলা হয়। আপনারা জানলে হয়তো অবাক হবেন ইসরোর যাত্রা শুরু হয়েছিল একটি ক্যাথলিক চার্চ থেকে। অর্থাৎ স্পেস রিসার্চ এর জন্য একটি ওয়ার্কশপের প্রয়োজন ছিল, যেখানে সমস্ত যন্ত্রপাতি উপস্থিত থাকবে। তখন কোনও পথ না থাকায় এই চার্চটিকেই বেছে নেওয়া হয়েছিল। আপনারা এটা জানলেও অবাক হবেন যে ইসরোর প্রথম ডেটা সেন্টার ছিল একটি টয়লেট।প্রথম দিকে রকেটের পার্টসগুলি সাইকেল এবং গরুর গাড়িতে করে রকেট উৎক্ষেপণ কেন্দ্র পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হতো। ইসরোতে কর্মরত বিজ্ঞানীরা প্রথম তিরুবনন্তপুরম থেকে বাসে করে আসত এবং রেল স্টেশনের খাবার খেত। এখানে কর্মরত বেশিরভাগ বিজ্ঞানীই বিয়ে করেননি।এরকম কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন মনে হয় কোন দেশের মহাকাশ সংস্থাকেই করতে হয়নি। এটা ছিল ইসরোর কঠিন দিক। যেখানে ছিল কঠোর পরিশ্রম, সাহস এবং নিজের দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার এক উদ্যম প্রচেষ্টা, যেটা এখনও চলছে। নিম্নে ইসরোর সফলতার কথা বর্ণনা করা হল।
"মহাকাশচারনা" ফেসবুক পেজে প্রতিদিন মহাকাশ সম্পর্কিত বিভিন্ন রহস্যময় ও সাম্প্রতিক তথ্য ও ঘটনা পোস্ট দেখতে পাবেন। তাই মহাকাশের রহস্যগুলো সম্পর্কে জানতে "মহাকাশচারনা" ফেসবুক পেজটি লাইক এবং ফলো করে সঙ্গে থাকুন ।
ফেসবুক পেজের লিংক 👉 ➡️ Facebook Page
মহাকাশের রহস্যময় ও সাম্প্রতিক তথ্য এবং ঘটনাগুলো সম্পর্কিত প্রতিনিয়ত ভিডিও দেখার জন্য "মহাকাশচারনা" ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন।
ইউটিউব চ্যানেল লিঙ্ক 👉 ➡️ YouTube
1 Comments
Thanks for sharing quality
ReplyDeleteabout Isro
Post a Comment