·      চাঁদের মালিক কে(Who is the owner of the moon)?

·      কে চাঁদের জমি বিক্রি করে(Who sell the lands of Moon)?


সেলিব্রিটিরা চাঁদে জমি কিনেছে একথা তো প্রায়ই শোনা যায়।
কিন্তু আপনারা কি জানেন কে চাঁদে জমি বিক্রি করে(Who sell the lands of Moon)?
চাঁদে জমি বিক্রি করে লুনার অ্যাম্বাসি নামের এক সংস্থা, যার অর্থ চন্দ্র দূতাবাস।এই সংস্থাটিই চাঁদের সব জায়গাজমির দেখভাল করে।কিন্তু প্রশ্ন হলে যে, এই সংস্থাটি কার এই  সংস্থাটি মার্কিন নাগরিক ডেনিস হোপের এবং তিনি নিজেই এই সংস্থার সি ই ও বর্তমানে চাঁদের মালিকানা তার কাছেই রয়েছে।কীভাবে সে চাঁদের মালিক হল এবং কীভাবে চাঁদে জমি কেনা যায় সেসম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে কমেন্ট করে জানাবেন।

Who sell the lands of Moon

চাঁদে জমি বিক্রি করে মার্কিন নাগরিক ডেনিস হোপের সংস্থা ‘লুনার অ্যাম্বাসি’(Lunar Ambassy)। যার বাংলা অর্থ 'চন্দ্র দূতাবাস'। তবে চাঁদের মালিকানা ‌কিন্তু হোপের। এই সংস্থাটিই তার এসব জায়গাজমির ‘দেখভাল’ করে। লুনার অ্যাম্বাসির সিইও হোপ নিজেই। যদিও এই সিইও'র অর্থ সেলেশ্চিয়াল এগজিকিউটিভ অফিসার। এর বাংলা অর্থ মহাজাগতিক বিশেষ অধিকর্তা।

"মহাকাশচারনা" ফেসবুক পেজে প্রতিদিন মহাকাশ সম্পর্কিত বিভিন্ন রহস্যময় ও সাম্প্রতিক তথ্য ও ঘটনা পোস্ট দেখতে পাবেন।                                                                                     তাই মহাকাশের রহস্যগুলো সম্পর্কে জানতে "মহাকাশচারনা" ফেসবুক পেজটি লাইক এবং ফলো করে সঙ্গে থাকুন ।

ফেসবুক পেজের লিংক 👉 ➡️ Facebook Page

চাঁদের জমির ব্যবসার বুদ্ধি এবং রসদ দুই-ই হোপ পেয়েছিলেন তার রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জ্ঞানের দৌলতে। এ ব্যাপারে জাতিসংঘের আনা একটি প্রস্তাবের ফাঁকফোকরই সাহায্য করেছিল হোপকে। জাতিসংঘ বলেছিল, বিশ্বের কোনো দেশ বা কোনো দেশের সরকার সৌরজগতের কোনো মহাজাগতিক বস্তুর উপর নিজেদের অধিকার, মালিকানা বা আইনি সত্ত্ব দাবি করতে পারবে না। ১৯৬৭ সালে আনা ওই প্রস্তাবে পৃথিবীর প্রায় সবক’টি দেশ সম্মতি দিয়েছিল।

মহাকাশের রহস্যময় ও সাম্প্রতিক তথ্য এবং ঘটনাগুলো সম্পর্কিত প্রতিনিয়ত ভিডিও দেখার জন্য "মহাকাশচারনা" ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন। 

ইউটিউব চ্যানেল লিঙ্ক 👉 ➡️ YouTube

ওই প্রস্তাবের ফাঁক‌ফোকর হচ্ছে, যেকোনো ব্যক্তি এই দাবি করতে পারবেন না, এমনটা কোথাও উল্লেখ নেই। হোপ ওই অসম্পূর্ণতাকে কাজে লাগিয়েই চাঁদের মালিকানা দাবি করেন। এমনকি জাতিসংঘের কাছে চিঠিও পাঠান। এর বিপরীতে তিনি কোনো উত্তর পাননি। বরং তিনি ধরেই নিয়েছেন, মৌনতা সম্মতির লক্ষণ।